আফগানিস্তানে তুরস্ক কী করতে চায় এবং কীভাবে তারা তালেবানের মোকাবেলা করবে?

জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান আফগানিস্তানে তুর্কি সৈন্য রেখে দেয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

তুরস্কের পরিকল্পনাটা ঠিক কী?

বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া খবরে বলা হচ্ছে, আফগানিস্তানে তুরস্কের মূল ভূমিকা হবে কাবুল বিমান বন্দরের ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

কাবুলের এই বিমানবন্দরের মাধ্যমেই আফগানিস্তান বাকী বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত। তালেবান যদি কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়, কোন দেশ বা আন্তর্জাতিক সংস্থাই আর আফগানিস্তানে তাদের প্রতিনিধি রাখতে পারবে না।

তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুলুসি আকারকে উদ্ধৃত করে একটি তুর্কি নিউজ ওয়েবসাইট বলছে, বিভিন্ন দেশ অন্তত এরকম কথাই বলেছে। তাদের মত হচ্ছে, কাবুলের এই বিমানবন্দরকে সুরক্ষিত রাখা দরকার, কারণ এটি যদি বন্ধ হয়ে যায়, অন্যান্য দেশকে তাদের কূটনীতিকদের প্রত্যাহার করতে হবে, সেখানে মিশন বন্ধ করে দিতে হবে।

উল্লেখ্য, এমনিতেই গত কয়েক বছর ধরে কাবুলে তুরস্কের ৫০০ সৈন্য মোতায়েন আছে। তবে তুরস্কের সৈন্যরা সেখানে কোন ধরণের লড়াইয়ে লিপ্ত নয়। এছাড়া একটি নেটো মিশনের অধীনে তুরস্ক আফগানিস্তানের সৈন্যদের প্রশিক্ষণও দিয়ে থাকে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

Pin It on Pinterest

Share This
Scroll to Top